Sun. Aug 25th, 2019

Islamic Solutions

Solution to All Problems

পর্দা কি শধুই নারীদের জন্য?

1 min read
Spread the love

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ


আসসালামুআলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু । সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের জন্য। আর দরুদ ও সালাম নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর এবং তার বংশধর ও সাহাবীগণের উপর। আজকে আপনাদের সাথে এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব যেটা সাধারণ মেয়েদের প্রথম প্রশ্ন, কিন্তু এটা জানার প্রয়োজনীয়তা সকলের। কারণ, আমরা মুসলিমদের মধ্যে একটা ধারণা হচ্ছে পর্দা করার বিষয়টি শুধু নারীদের সাথেই রিলেটেড।

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কারণ, আমি কোন ইসলামিক স্কলার নই, আমি স্কলারদের কোরআন-হাদীসের বুঝ দ্বারা আমার লেখাটি লিখছি, তাতে আমার ব্যাক্তিগত কিন্তু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। কোন বিষয়েই কোন রকম ভুল আপনাদের দৃষ্টিতে পড়লে আমাকে জানানোর অনুরোধ করছি।

পর্দা করার জন্য পোশাকের ক্ষেত্রে ৬টি শর্ত রয়েছে, যার ১ টি ব্যাতিত বাকি ৫ টি পুরুষ ও মহিলাদের জন্য একই। সেগুলো হলঃ

  • প্রথমটি হল শরীরের কতটুকু ঢেকে রাখতেই হবে। এটিই পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা। পুরুষের জন্য, নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখতে হবে।
  • পোশাকটি এমন টাইটফিট হতে পারবে না যাতে শরীরের অবয়ব বোঝা যায়। যেমন, অনেক যুবক জিন্সের প্যান্ট পড়ে যা অনেক টাইট হয় যাতে তার ঊরুসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ বোঝা যায়, এমনটি করলে পর্দার লঙ্ঘন হবে।
  • পোশাক এমন হওয়া যাবেনা যার মধ্যদিয়ে শরীর দেখা যায়। এটা সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা যায়(ট্রান্সপারেন্ট শাড়ি, কামিজ ইত্যাদি)।
  • পোশাক এমন আকর্ষণীয় হবে না যাতে বিপরীত লিঙ্গের কেউ আকৃষ্ট হয়।
  • বিপরীত লিঙ্গের পোশাক হবে না। যেমন, ছেলেদের জন্য মেয়েদের শাড়ি বা মেয়েদের জন্য ছেলেদের মতো শার্ট বা এধরণের কাপড় পড়া পর্দার লঙ্ঘন করবে।
  • আর পোশাক অবিশ্বাসীদের কোন ধর্মীয় পোশাকের মতো হবে না।

পর্দার ক্ষেত্রে পোশাকের বাইরেও আরো কিছু বিষয় আছে। আল্লাহ কোরআনে মহিলাদের হিজাবের কথা বলার আগে পুরুষের হিজাবের কথা বলেছেন। সূরা নূর এর ৩০ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন (অনুবাদ),

মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।

সুতরাং, একজন মেয়ে হিজাব করেছে কিনা সেটা সেই প্রশ্নে যাওয়ার দরকার সুযোগ আমাদের নেই। আমাদের বলা হয়েছে আমাদের দৃষ্টি সংযত করতে। আমরা কোন, গায়রে মাহরাম নারীদের দিকে তাকানোর অনুমতি নেই। সুতরাং, যারা বলেন যে, তারা দেখাতে পারলে আমরা দেখতে পারব না কেন? তাদের বলি, আল্লাহ তাদের যেমন হিজাবের নির্দেশ দিয়েছেন, তেমনি আপনাকেও দিয়েছেন। কোন আদেশ অন্য আদেশের পালনের ওপর নির্ভরশীল করে দেন নি।

মাহরাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মাহরাম বিস্তারিত লেখার ওপর ক্লিক করুন। মাহরাম ব্যাতিত অন্যদের সাথে অপ্রয়োজনীয় সকল কথা বার্তা বলা অনুচিত। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উপরের লিংকে ভিজিট করুন।

জাযাকাল্লাহু খাইরান। সকলে দু’আ করবেন যেন আপনাদের আরো বিস্তারিত ও আরো ভালো ভালো লেখা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপহার দিতে পারি। আর, কোন ভাল লেখক যদি আপনার লিখা এখানে প্রকাশ করতে চান, ভাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার যদি আমাদের সাহায্য করতে চান তাহলেও জানাবেন।

 

More Stories

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.